ম্রাইমা চা
এই মহামারী করোনাকালীন যেখানে সব দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সকল ধরনের সরকারী-বেসরকারী অফিস নানন কার্যক্রম গুলো বন্ধ ছিলেন তখনই পাহাড়ে জেগে উঠলেন প্রায় বিলুপ্তির পথে মারমা ভাষা শিক্ষা বা ম্রাইমা চা । এই করোনাকালীন সবাইন যখন গৃহ বন্ধী ছিলেন তখন কেউ কেউ এই সময়টাকে যথাযথ ব্যবহার করতে পেরেছেন । এই সময়টাতে ছোট বড় সকলই মাতৃভাষা উপর কড়া নজর দিয়েছিলেন । এটে অনেক শিক্ষা জ্ঞান অন্বেষণকারী অনেক লোক ইতি পূর্বে কোনো দিন নিজ মাতৃভাষার অক্ষর জ্ঞান ছিলো না তারাই আজ তাদের গৃহবন্ধী থাকাকালীন সময়টাকে কাজে লাগিয়ে আজ বই দেখে স্পষ্ট পড়তে পারছে ।
দেশের যখন প্রথম করোন মহামারী রোগ হানা দেয় তখন থেকে দেশে সকল কর্ম কান্ড প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে । তখনই শুরু হয় "বাংলাদেশ মারমা সংস্কৃতি" অনলাইন ফেইসবুক গ্রুপে মডারেটর ক্রই উ মা মারমা প্রস্তাব দেন উক্ত গ্রুপের অন্যতম প্রধান একজন শ্রদ্ধেয় উ.পঞঞাসারা ভিক্ষুকে যে যেভাবে হোক মাতৃভাষা শেখাতে হবে তাদের মধ্যে এমন মাতৃভাষা শিক্ষার প্রতি আগ্রহ দেখে ভান্তে কয়েক দিন পর শুরু করলেন "বাংলাদেশ মারমা সংস্কৃতি"গ্রুপে লাইভ ক্লাসে সবাই আগ্রহে পড়তে লাগলেন সাপ্তাহে চার দিন করে । শুরুর ঠিক দুই সাপ্তাহ পর ভান্তে অসুস্থ হলে আর পড়াতে পারলেন না কিন্তু থেকে নেই পড়া শ্রদ্ধেয় উ পঞ্ঞাসারার ভান্তে পড়ার ধরন দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে "বাংলাদেশ মগ/মারমা ভাষা শিক্ষা পরিষদে প্রচার ও প্রকাশনা পদে পদপ্রাপ্ত শ্রদ্ধেয় উ.চাইন্দাসারা ভিক্ষু তিনি ক্লাস চালিয়ে যেতেন লাইভে তারই একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে । আর "বাংলাদেশ মগ/মারমা ভাষা শিক্ষা পরিষদ" যেভাবে তাদের কার্যক্রম অক্লান্ত ভাবে পরিশ্রম করে চালিয়ে যাচ্ছেন তা সকলই প্রশংসা যোগ্য । সাধুবাদ জানাই সংগঠনের সকলের প্রতি।
#মারমা সংবাদ
বি,এম,এস বাবু চৌধুরী

0 Comments