মগ শব্দটি বহুল পরিচিত একটি জনগোষ্ঠির নাম ।বাংলাদেশের কিছু কিছু এ জনগোষ্ঠি নিজেকে "মগ" পরিচয় দিতে ভালোবাসে এখনো আবার কেউ কেউ আধুনিক নামকরনের "মারমা"হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে । কিন্তু "মগ"ই ছিল তাদের আদি পরিচয় । একই জনগোষ্ঠি দুটি টাইটেল বহন করছে জাতি । আজেকে আমরা জানব কি ভাবে মগ থেকে মারমা টাইটেলটাপরিবর্তন হয়েছে এবং কোথায় হয়েছে কার দ্বারা হয়েছে ।চলুন দেখা যাক ।
পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ)1971 খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা লাভের পর এ দেশের মগ বা মারমা সমাজের চিত্র বদল হয়ে থাকে ।তখন সমাজের শিক্ষা প্রসারে একটা ক্ষেত্র প্রস্তুত হয় তা বলা যায়। এসময় আমাদের তৎকালীন অতি পরিচিত ব্যক্তি রায় সাহেব থোয়াইপ্র চৌধুরী তার কর্তৃক 1956 খ্রিস্টাব্দে কাপ্তাই উপজেলায় নারানগিরি পাইলট হাই স্কুল নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরী হয় । এটিই ছিল সে সময়ে মগ-মারমা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের উচ্চ স্তর হিসেবে পরিণত হয়। 1972 খ্রিস্টাব্দে এই স্কুল থেকে রায় সাহেব থোয়াইপ্র চৌধুরীর এর স্মরণে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করা হয় । উক্ত প্রকাশনা কমিটিতে দুজন মগ ছাত্র ছিলেন তারাই আনুষ্ঠানিক ভাবে নামের শেষে মারমা উপাধি ব্যবহার শুরু করে । তৎকালীন সময়ে সেই দুজন মগ ছাত্র ছিলেন (1) ডলুছড়ি নিবাসী আথোয়াই ও (2) নারানগিরি মুখ নিবাসী মংচিনু পরে 1973 খ্রিস্টাব্দ থেকে চন্দ্রঘোনা এলাকায় মারমা উপাধি ব্যবহারের অনুপ্রাণিত হয়ে উঠে ।
Social Plugin